ঢাকা ১০:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৪

মেঘনা নদীর মোহনপুরের দশআনিতে ৯ ব্যারেল চোরাই জ্বালানি তেল উদ্ধার।

নিজস্ব প্রতিনিধ :
মোহনপুরের মেঘনা নদীর দশআনি এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৯ ব্যারেল (১৮০০ লিটার) চোরাই জ্বালানি তেল উদ্ধার করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।
৪ জুলািই সোমবার সকাল ৭টায় উপজেলা সহাকারী কমিশনার (ভূমি) হেদায়েতউল্লাহ’র নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে এ তেল উদ্ধার করা হয়। এ সময় কোস্টগার্ড এর প্রতিনিধি শাহাদাত হোসেন, মোহনপুর নৌ-পুলিশের ইনচার্জ মনির হোসেন উপস্থিত ছিলেন। এসময় চোরাই তেল ব্যবসায়ীরা পালিয়ে যায়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মোহনপুরের চিহ্নিত অপরাধী কবির খালাসি,নাহিদ খালাসি, তুষার খালাসি বর্তমানে জেল হাজতে থাকলেও কবির খালাসির সহযোগী ডাকাত বাবলার সংঘবদ্ধ একটি চক্র মেঘনা নদীতে নানা অপরাধ সংগঠিত করে আসছে। তারা নৌ পথে ডাকাতি, অবৈধ বালু ব্যবসা, চোরাই তেল ব্যবসা করে আসছে। তাদের জ্বালায় অতিষ্ট নৌপথের ব্যবসায়ীরা। এই সন্ত্রাসী বাহিনীকে চাঁদা প্রদান করা ছাড়া কেউ কোন ব্যবসা করতে পারে না। এছাড়াও কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে কোরবানির পশুবাহি ট্রলারে ডাকাতি শুরু করেছে এ বাহিনীটি। তাদের কারনে গরু ব্যাপারীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।
অভিযানের ব্যাপারে নৌ-পুলিশের ইনচার্জ মনির হোসেন জানান, এটা আমাদের নিয়মিত টহল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা অভিযান চালিয়ে চোরাই তেল উদ্ধার করি। কিন্তু চোরাই তেল ব্যবসায়ীরা পালিয়ে গেছে। আমরা তাদের আটকের চেষ্টা করছি।
সূত্রে প্রকাশ, কবির খালাসির নেতৃত্বে ডাকাত বাবলা, নাহিদ খালাসি, তুষার খালাসিসহ একটি ডাকাত চক্র নৌপথে চলাচলকারী বিভিন্ন ট্রলার, জাহাজ থেকে তেল কেটে নেয়। তারা এ চোরাই তেল নাম মাত্র মূল্যে কিনে চড়া মূল্যে বিক্রি করে। তাদের কারনে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে এ পথে চলাচলকারী নৌযানের শ্রমিক ও মালিকরা। সংঘবদ্ধ এ ডাকাত চক্রকে আটক করতে পারলেই মেঘনা নদীর অপরাধ কমে যেতো।
Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গ্রাম পুলিশ সদস্যকে ধর্ষণের অভিযোগে এক ইউপি চেয়ারম্যান ও সহযোগীর বিরুদ্ধে মামলা

মেঘনা নদীর মোহনপুরের দশআনিতে ৯ ব্যারেল চোরাই জ্বালানি তেল উদ্ধার।

আপডেট টাইম : ০৭:০৯:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ জুলাই ২০২২
নিজস্ব প্রতিনিধ :
মোহনপুরের মেঘনা নদীর দশআনি এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৯ ব্যারেল (১৮০০ লিটার) চোরাই জ্বালানি তেল উদ্ধার করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।
৪ জুলািই সোমবার সকাল ৭টায় উপজেলা সহাকারী কমিশনার (ভূমি) হেদায়েতউল্লাহ’র নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে এ তেল উদ্ধার করা হয়। এ সময় কোস্টগার্ড এর প্রতিনিধি শাহাদাত হোসেন, মোহনপুর নৌ-পুলিশের ইনচার্জ মনির হোসেন উপস্থিত ছিলেন। এসময় চোরাই তেল ব্যবসায়ীরা পালিয়ে যায়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মোহনপুরের চিহ্নিত অপরাধী কবির খালাসি,নাহিদ খালাসি, তুষার খালাসি বর্তমানে জেল হাজতে থাকলেও কবির খালাসির সহযোগী ডাকাত বাবলার সংঘবদ্ধ একটি চক্র মেঘনা নদীতে নানা অপরাধ সংগঠিত করে আসছে। তারা নৌ পথে ডাকাতি, অবৈধ বালু ব্যবসা, চোরাই তেল ব্যবসা করে আসছে। তাদের জ্বালায় অতিষ্ট নৌপথের ব্যবসায়ীরা। এই সন্ত্রাসী বাহিনীকে চাঁদা প্রদান করা ছাড়া কেউ কোন ব্যবসা করতে পারে না। এছাড়াও কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে কোরবানির পশুবাহি ট্রলারে ডাকাতি শুরু করেছে এ বাহিনীটি। তাদের কারনে গরু ব্যাপারীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।
অভিযানের ব্যাপারে নৌ-পুলিশের ইনচার্জ মনির হোসেন জানান, এটা আমাদের নিয়মিত টহল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা অভিযান চালিয়ে চোরাই তেল উদ্ধার করি। কিন্তু চোরাই তেল ব্যবসায়ীরা পালিয়ে গেছে। আমরা তাদের আটকের চেষ্টা করছি।
সূত্রে প্রকাশ, কবির খালাসির নেতৃত্বে ডাকাত বাবলা, নাহিদ খালাসি, তুষার খালাসিসহ একটি ডাকাত চক্র নৌপথে চলাচলকারী বিভিন্ন ট্রলার, জাহাজ থেকে তেল কেটে নেয়। তারা এ চোরাই তেল নাম মাত্র মূল্যে কিনে চড়া মূল্যে বিক্রি করে। তাদের কারনে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে এ পথে চলাচলকারী নৌযানের শ্রমিক ও মালিকরা। সংঘবদ্ধ এ ডাকাত চক্রকে আটক করতে পারলেই মেঘনা নদীর অপরাধ কমে যেতো।