ঢাকা ০২:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

বিহারে এনসেফালাইটিসে মৃতের সংখ্যা ৯৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :  ভারতের বিহারে অ্যাকিউট এনসেফ্যালাইটিস সিনড্রোমে (এইএস) মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯৬ জনে দাঁড়িয়েছে। এদিকে, তীব্র দাবদাহে রাজ্যে মারা গেছে  ৪০ জন। সেখানকার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গতকাল রবিবার রাজ্য পরিদর্শনে যান কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধন।

আরো পড়ুন :  ব্যারিস্টার সুমনের কাছে আমি কৃতজ্ঞ : নুসরাতের মা

বিহারের মুজফফরপুরের শ্রীকৃষ্ণ মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হসপিটাল (এসকেএমসিএইচ) পরিদর্শনের সময় তাঁর সামনেই মারা যায় পাঁচ বছরের এইএস আক্রান্ত এক শিশু।

এনসেফেলাইটিসে বিহারের মৃত্যুমিছিল বেড়েই চলেছে। রবিবার স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী অশ্বিনী চৌবে ও বিহারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী মঙ্গল পাণ্ডকে নিয়ে রোগী ও স্বজনদের সঙ্গে দেখা করেন হর্ষবর্ধন। পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, ‘সংশ্লিষ্ট প্রত্যেক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলেছি।’ একই সঙ্গে সমস্ত বাধা ও সমস্যা সত্ত্বেও যেভাবে পরিস্থিতির সঙ্গে লড়ছেন চিকিৎসকরা, তা প্রশংসাযোগ্য বলে মত প্রকাশ করেন তিনি।

রোগীর আত্মীয়দের অবশ্য অভিযোগ, প্রায়ই  হাসপাতালে রাতের দিকে চিকিৎসক থাকেন না। এমন পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার মৃত শিশুদের পরিবার প্রতি চার লাখ টাকা সাহায্য দেওয়ার ঘোষণা করেছেন।

এদিকে, এইএস’র পাশাপাশি দাবদাহেও বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। চলতি মৌসুমে রাজস্থানের তাপমাত্রা তিন দিন ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়েছে।  উত্তরপ্রদেশের তাপমাত্রাও কয়েকদিন ধরে ৪৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে ছিল। কিন্তু সেখানে কেউ মারা যাওয়ার ঘটনা ঘটেনি। বিহারে কেবল শনিবারই দাবদাহে মারা গেছে ৪০ জন। রাজ্যের পাটনা, গয়ার তাপমাত্রা ঘোরাফেরা করছে ৪৪-৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে। শনিবারও পাটনার তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে ছিল।

মৃতদের মধ্যে কেবল আওরঙ্গবাদেই প্রাণ গেছে ২৭ জনের। গয়ায় হিটস্ট্রোকে প্রাণ হারিয়েছেন ১২ জন। নাওয়াদাতেও মৃতের খবর পাওয়া গেছে। পরিস্থিতি দেখে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীও। তিনি জানান, তাপমাত্রা না কমলে বাড়ি থেকে বেরোনোর চেষ্টা না করাই ভালো। প্রখর তাপে মস্তিষ্ক ক্ষতিগ্রস্ত হয় ও তাতে স্বাস্থ্যের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ইন্টারন্যাশনাল রিলেশনস রিপোর্টার্স ফোরামের শ্রদ্ধা

বিহারে এনসেফালাইটিসে মৃতের সংখ্যা ৯৬

আপডেট টাইম : ০২:০৩:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ জুন ২০১৯

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :  ভারতের বিহারে অ্যাকিউট এনসেফ্যালাইটিস সিনড্রোমে (এইএস) মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯৬ জনে দাঁড়িয়েছে। এদিকে, তীব্র দাবদাহে রাজ্যে মারা গেছে  ৪০ জন। সেখানকার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গতকাল রবিবার রাজ্য পরিদর্শনে যান কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধন।

আরো পড়ুন :  ব্যারিস্টার সুমনের কাছে আমি কৃতজ্ঞ : নুসরাতের মা

বিহারের মুজফফরপুরের শ্রীকৃষ্ণ মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হসপিটাল (এসকেএমসিএইচ) পরিদর্শনের সময় তাঁর সামনেই মারা যায় পাঁচ বছরের এইএস আক্রান্ত এক শিশু।

এনসেফেলাইটিসে বিহারের মৃত্যুমিছিল বেড়েই চলেছে। রবিবার স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী অশ্বিনী চৌবে ও বিহারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী মঙ্গল পাণ্ডকে নিয়ে রোগী ও স্বজনদের সঙ্গে দেখা করেন হর্ষবর্ধন। পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, ‘সংশ্লিষ্ট প্রত্যেক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলেছি।’ একই সঙ্গে সমস্ত বাধা ও সমস্যা সত্ত্বেও যেভাবে পরিস্থিতির সঙ্গে লড়ছেন চিকিৎসকরা, তা প্রশংসাযোগ্য বলে মত প্রকাশ করেন তিনি।

রোগীর আত্মীয়দের অবশ্য অভিযোগ, প্রায়ই  হাসপাতালে রাতের দিকে চিকিৎসক থাকেন না। এমন পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার মৃত শিশুদের পরিবার প্রতি চার লাখ টাকা সাহায্য দেওয়ার ঘোষণা করেছেন।

এদিকে, এইএস’র পাশাপাশি দাবদাহেও বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। চলতি মৌসুমে রাজস্থানের তাপমাত্রা তিন দিন ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়েছে।  উত্তরপ্রদেশের তাপমাত্রাও কয়েকদিন ধরে ৪৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে ছিল। কিন্তু সেখানে কেউ মারা যাওয়ার ঘটনা ঘটেনি। বিহারে কেবল শনিবারই দাবদাহে মারা গেছে ৪০ জন। রাজ্যের পাটনা, গয়ার তাপমাত্রা ঘোরাফেরা করছে ৪৪-৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে। শনিবারও পাটনার তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে ছিল।

মৃতদের মধ্যে কেবল আওরঙ্গবাদেই প্রাণ গেছে ২৭ জনের। গয়ায় হিটস্ট্রোকে প্রাণ হারিয়েছেন ১২ জন। নাওয়াদাতেও মৃতের খবর পাওয়া গেছে। পরিস্থিতি দেখে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীও। তিনি জানান, তাপমাত্রা না কমলে বাড়ি থেকে বেরোনোর চেষ্টা না করাই ভালো। প্রখর তাপে মস্তিষ্ক ক্ষতিগ্রস্ত হয় ও তাতে স্বাস্থ্যের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে।