ঢাকা ১১:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

বিশ্ব দুগ্ধ দিবস আজ

আলোর জগত ডেস্ক :  আজ বিশ্ব দুগ্ধ দিবস। দুধ এবং দুগ্ধজাত পণ্যের উপকারিতা বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার উদ্যোগে ২০০১ সাল থেকে প্রতি বছর জুন মাসের প্রথম দিনে দিবসটি পালিত হচ্ছে। প্রতি বছরের মতো এবারও যথাযথভাবে দিবসটি পালন করা হবে। এ উপলক্ষে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েছে।

আরো পড়ুন :  দেশে ফিরেছেন রাষ্ট্রপতি

বর্তমানে দেশে ক্রমবর্ধমান জিডিপিতে পশুসম্পদের অবদান ৩ দশমিক ২১ শতাংশ। দেশের মোট কর্মসংস্থানের প্রত্যক্ষভাবে ২১ শতাংশ এবং মোট আমিষের ৮ শতাংশ আসে দুগ্ধ সেক্টর থেকে। বর্তমানে এই সেক্টরে বহু বেকার শিক্ষিত যুবক বিনিয়োগ করছে। অনেক প্রবাসীও এই সেক্টরে বিনিয়োগ করেছে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক আব্দুল জব্বার জানান, দেশে দুগ্ধ শিল্প অনেক পিছিয়ে আছে। বর্তমানে দেশে দুধের চাহিদা বছরে ১৪৬ দশমিক ৫১ লাখ টন। উৎপাদন হচ্ছে মাত্র ৭২ দশমিক ৭৫ লাখ টন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যে প্রতিদিন অন্তত ২৮০ মিলিলিটার দুধ গ্রহণ করা উচিত। অথচ আমরা মাথাপিছু প্রতিদিন দুধ গ্রহণ করছি মাত্র ১২৫ দশমিক ৫৯ মিলিলিটার। দেশে দ্রুত দুগ্ধজাত পণ্যের উৎপাদন বাড়াতে হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ইন্টারন্যাশনাল রিলেশনস রিপোর্টার্স ফোরামের শ্রদ্ধা

বিশ্ব দুগ্ধ দিবস আজ

আপডেট টাইম : ০১:৫০:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ জুন ২০১৯

আলোর জগত ডেস্ক :  আজ বিশ্ব দুগ্ধ দিবস। দুধ এবং দুগ্ধজাত পণ্যের উপকারিতা বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার উদ্যোগে ২০০১ সাল থেকে প্রতি বছর জুন মাসের প্রথম দিনে দিবসটি পালিত হচ্ছে। প্রতি বছরের মতো এবারও যথাযথভাবে দিবসটি পালন করা হবে। এ উপলক্ষে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েছে।

আরো পড়ুন :  দেশে ফিরেছেন রাষ্ট্রপতি

বর্তমানে দেশে ক্রমবর্ধমান জিডিপিতে পশুসম্পদের অবদান ৩ দশমিক ২১ শতাংশ। দেশের মোট কর্মসংস্থানের প্রত্যক্ষভাবে ২১ শতাংশ এবং মোট আমিষের ৮ শতাংশ আসে দুগ্ধ সেক্টর থেকে। বর্তমানে এই সেক্টরে বহু বেকার শিক্ষিত যুবক বিনিয়োগ করছে। অনেক প্রবাসীও এই সেক্টরে বিনিয়োগ করেছে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক আব্দুল জব্বার জানান, দেশে দুগ্ধ শিল্প অনেক পিছিয়ে আছে। বর্তমানে দেশে দুধের চাহিদা বছরে ১৪৬ দশমিক ৫১ লাখ টন। উৎপাদন হচ্ছে মাত্র ৭২ দশমিক ৭৫ লাখ টন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যে প্রতিদিন অন্তত ২৮০ মিলিলিটার দুধ গ্রহণ করা উচিত। অথচ আমরা মাথাপিছু প্রতিদিন দুধ গ্রহণ করছি মাত্র ১২৫ দশমিক ৫৯ মিলিলিটার। দেশে দ্রুত দুগ্ধজাত পণ্যের উৎপাদন বাড়াতে হবে।