ঢাকা ০২:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুলাই ২০২৪
সংবাদ শিরোনাম :

মামলা স্থগিত চেয়ে শহিদুল আলমের রিট

ফাইল ছবি

আলোর জগত ডেস্ক :  আলোকচিত্রী শহীদুল আলমের বিরুদ্ধে দায়ের করা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের মামলার কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেছেন। রিটে এই মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। এছাড়া মামলার তদন্ত কার্যক্রমও স্থগিত চাওয়া হয়েছে। আজ সোমবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখা থেকে এ তথ্য জানা গেছে। স্বরাষ্ট্র সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের রিটে বিবাদী করা হয়েছে। বর্তমানে শহিদুল আলম এই মামলায় জামিনে রয়েছেন। আদালতে শহিদুল আলমের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার সারা হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ফজলুর রহমান খান।

গত ২০১৮ সালের ৬ আগস্ট রমনা থানায় করা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের মামলায় শহিদুল আলমকে সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। এরপর একই বছরের ১২ আগস্ট মামলায় আলোকচিত্রী শহিদুল আলমকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

শহিদুল আলমের রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, আসামি শহিদুল আলম তার ফেসবুক টাইম লাইনে ও দেশি-বিদেশি বিভিন্ন গণমাধ্যমে কল্পনাপ্রসূত অপপ্রচার চালাচ্ছেন। এর মাধ্যমে জনসাধারণের বিভিন্ন শ্রেণিকে শ্রুতিনির্ভর (যাচাই-বাছাই ছাড়া কেবল শোনা কথা) মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করে উস্কানি দিয়েছেন, যা রাষ্ট্রের জন্য ক্ষতিকর। সরকারকে প্রশ্নবিদ্ধ ও অকার্যকর রূপে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে উপস্থাপন করেছেন।

রিমান্ড আবেদনে আরও বলা হয়, আসামি শহিদুল ইসলাম আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিসহ জনমনে ভীতি ছড়িয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র এবং তা বাস্তবায়নের জন্য ইলেকট্রনিক মাধ্যমে প্রচার চালাচ্ছেন।

এরপর ২০১৮ সালের ১৫ নভেম্বর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের মামলায় আলোকচিত্রী ড. শহিদুল আলমকে জামিন দেন হাইকোর্ট। বিচারপতি শেখ আব্দুল আউয়াল ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী এই আদেশ দেন।

 

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে চিকিৎসার চেক হস্তান্ত, সাবেক এম পি নুরুল আমিন রুহুল

মামলা স্থগিত চেয়ে শহিদুল আলমের রিট

আপডেট টাইম : ০৭:২৫:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ মার্চ ২০১৯

আলোর জগত ডেস্ক :  আলোকচিত্রী শহীদুল আলমের বিরুদ্ধে দায়ের করা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের মামলার কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেছেন। রিটে এই মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। এছাড়া মামলার তদন্ত কার্যক্রমও স্থগিত চাওয়া হয়েছে। আজ সোমবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখা থেকে এ তথ্য জানা গেছে। স্বরাষ্ট্র সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের রিটে বিবাদী করা হয়েছে। বর্তমানে শহিদুল আলম এই মামলায় জামিনে রয়েছেন। আদালতে শহিদুল আলমের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার সারা হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ফজলুর রহমান খান।

গত ২০১৮ সালের ৬ আগস্ট রমনা থানায় করা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের মামলায় শহিদুল আলমকে সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। এরপর একই বছরের ১২ আগস্ট মামলায় আলোকচিত্রী শহিদুল আলমকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

শহিদুল আলমের রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, আসামি শহিদুল আলম তার ফেসবুক টাইম লাইনে ও দেশি-বিদেশি বিভিন্ন গণমাধ্যমে কল্পনাপ্রসূত অপপ্রচার চালাচ্ছেন। এর মাধ্যমে জনসাধারণের বিভিন্ন শ্রেণিকে শ্রুতিনির্ভর (যাচাই-বাছাই ছাড়া কেবল শোনা কথা) মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করে উস্কানি দিয়েছেন, যা রাষ্ট্রের জন্য ক্ষতিকর। সরকারকে প্রশ্নবিদ্ধ ও অকার্যকর রূপে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে উপস্থাপন করেছেন।

রিমান্ড আবেদনে আরও বলা হয়, আসামি শহিদুল ইসলাম আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিসহ জনমনে ভীতি ছড়িয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র এবং তা বাস্তবায়নের জন্য ইলেকট্রনিক মাধ্যমে প্রচার চালাচ্ছেন।

এরপর ২০১৮ সালের ১৫ নভেম্বর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের মামলায় আলোকচিত্রী ড. শহিদুল আলমকে জামিন দেন হাইকোর্ট। বিচারপতি শেখ আব্দুল আউয়াল ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী এই আদেশ দেন।