ঢাকা ১২:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪
সংবাদ শিরোনাম :

উপজেলা পর্যায় থেকে মাস্টার প্ল্যানের তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর

আলোর জগত ডেস্ক :   দেশের ভূমি ব্যবস্থাপনা আধুনিক ও যুগোপযোগী করে তুলতে উপজেলাকে মাস্টার প্ল্যানের আওতায় আনার নির্দেশ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, প্রয়োজন অনুভূত হলেই আমরা আগ-পিছু না ভেবে অবকাঠামো নির্মাণ করি। ধানি জমি নষ্ট করে দালান তুলছে। যেমন দাবি ওঠলো রাস্তা নির্মাণের, আমরা রাস্তা বানাচ্ছি। সেটা না করে আমরা যদি এটা পরিকল্পিতভাবে সবকিছু করি, তবে বেশি মানুষ এটার সুবিধা পাবে। উপজেলা পর্যায় থেকে যদি মাস্টার প্ল্যান করা যায়, তাহলে এর দীর্ঘস্থায়ী সুফল পাওয়া যাবে। আজ রোববার সকালে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে এসে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মাস্টার প্ল্যানের লে-আউটে আবাসন, হাসপাতাল, মার্কেট, স্কুল, কলেজ, খেলার মাঠ, কৃষি-খামার, শিল্প কারখানা এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা থাকতে হবে।আমরা যদি যথাযথভাবে এটি করতে পারি, তাহলে জনগণ এটি গ্রহণ করবে।’

শেখ হাসিনা বলেন, জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে এবং সরকারি অর্থের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে স্থানীয় জনগণের চাহিদা পূরণে সরকার পৃথকভাবে প্রতিটি জেলায় উপজেলায় বার্ষিক বাজেট প্রণয়ন করছে। এতে প্রতিটি উপজেলার আকার, জনসংখ্যা এবং ভৌগলিক সম্ভাবনা বিবেচনায় রাখা হচ্ছে।

৬০টি জেলা গঠনে বঙ্গবন্ধুর উদ্যোগের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, উন্নয়ন কার্যক্রম ছড়িয়ে দিতে বঙ্গবন্ধু প্রতিটি জেলাকে একটি প্রশাসনিক ইউনিট হিসেবে তৈরি করেন। যাতে তৃণমূল পর্যায় থেকে আমরা উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পারি।

এলজিআরডি ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন। প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য, সচিব এসএম গোলাম ফারুক এবং মন্ত্রণালয় ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সিনিয়র কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে চিকিৎসার চেক হস্তান্ত।

উপজেলা পর্যায় থেকে মাস্টার প্ল্যানের তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট টাইম : ১১:২০:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০১৯

আলোর জগত ডেস্ক :   দেশের ভূমি ব্যবস্থাপনা আধুনিক ও যুগোপযোগী করে তুলতে উপজেলাকে মাস্টার প্ল্যানের আওতায় আনার নির্দেশ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, প্রয়োজন অনুভূত হলেই আমরা আগ-পিছু না ভেবে অবকাঠামো নির্মাণ করি। ধানি জমি নষ্ট করে দালান তুলছে। যেমন দাবি ওঠলো রাস্তা নির্মাণের, আমরা রাস্তা বানাচ্ছি। সেটা না করে আমরা যদি এটা পরিকল্পিতভাবে সবকিছু করি, তবে বেশি মানুষ এটার সুবিধা পাবে। উপজেলা পর্যায় থেকে যদি মাস্টার প্ল্যান করা যায়, তাহলে এর দীর্ঘস্থায়ী সুফল পাওয়া যাবে। আজ রোববার সকালে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে এসে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মাস্টার প্ল্যানের লে-আউটে আবাসন, হাসপাতাল, মার্কেট, স্কুল, কলেজ, খেলার মাঠ, কৃষি-খামার, শিল্প কারখানা এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা থাকতে হবে।আমরা যদি যথাযথভাবে এটি করতে পারি, তাহলে জনগণ এটি গ্রহণ করবে।’

শেখ হাসিনা বলেন, জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে এবং সরকারি অর্থের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে স্থানীয় জনগণের চাহিদা পূরণে সরকার পৃথকভাবে প্রতিটি জেলায় উপজেলায় বার্ষিক বাজেট প্রণয়ন করছে। এতে প্রতিটি উপজেলার আকার, জনসংখ্যা এবং ভৌগলিক সম্ভাবনা বিবেচনায় রাখা হচ্ছে।

৬০টি জেলা গঠনে বঙ্গবন্ধুর উদ্যোগের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, উন্নয়ন কার্যক্রম ছড়িয়ে দিতে বঙ্গবন্ধু প্রতিটি জেলাকে একটি প্রশাসনিক ইউনিট হিসেবে তৈরি করেন। যাতে তৃণমূল পর্যায় থেকে আমরা উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পারি।

এলজিআরডি ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন। প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য, সচিব এসএম গোলাম ফারুক এবং মন্ত্রণালয় ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সিনিয়র কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।