ঢাকা ০১:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ মে ২০২৪
সংবাদ শিরোনাম :
Logo অবৈধভাবে চাঁদা উত্তোলন করাকালে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকা হতে ০৪ জন পরিবহন চাঁদাবাজকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১০। Logo ফরিদপুর জেলার মধুখালিতে “শ্যালিকার সঙ্গে পরকীয়ার জেরে দুলাভাইকে হত্যা” শীর্ষক চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার পলাতক আসামি শরিফুল শেখ ও তথি বেগম’কে ফরিদপুরের কোতোয়ালি এলাকা হতে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১০। Logo মুন্সীগঞ্জ জেলার টংগীবাড়ী এলাকা হতে ২৩.৫ কেজি গাঁজাসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১০ Logo গ্রাম পুলিশ সদস্যকে ধর্ষণের অভিযোগে এক ইউপি চেয়ারম্যান ও সহযোগীর বিরুদ্ধে মামলা Logo আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ইন্টারন্যাশনাল রিলেশনস রিপোর্টার্স ফোরামের শ্রদ্ধা

খাদ্যে ভেজালবিরোধী অভিযানও জোরদার হবে: প্রধানমন্ত্রী

ফাইল ছবি

আলোর জগত ডেস্ক :   নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে ভেজালবিরোধী অভিযান জোরদার করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।তিনি বলেছেন, খাদ্যে ভেজাল দেওয়া আমাদের দেশের কিছু কিছু শ্রেণির মানুষের চরিত্রগত বদভ্যাসে পরিণত হয়েছে। সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে আমরা সফল হয়েছি, দুর্নীতিবিরোধী অভিযান চলছে। খাদ্য ভেজালও এক ধরনের দুর্নীতি, ভেজালবিরোধী অভিযান যাতে অব্যাহত থাকে সেজন্য আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি। এ অভিযানকে আরও জোরদার করা হবে।

আজ রবিবার রাজধানীর ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস-২০১৯ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা প্রথমবার সরকারে আসার পরই দেশে পুষ্টিহীনতা দূর করার জন্য নানা ধরনের প্রকল্প হাতে নিই। যদিও পরবর্তী সরকার এসে তা বন্ধ করে দেয়। তবে আমরা নতুন করে আরও নানা উদ্যোগ নিয়েছি।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা খাদ্য উৎপাদনের সঙ্গে সঙ্গে সেগুলো যেন সঠিকভাবে মজুত করা যায় সে লক্ষ্যেও কাজ করে যাচ্ছি। দেশে ২১ লাখ মেট্রিক টন খাদ্য মজুতের সক্ষমতা রয়েছে। আমাদের লক্ষ্য ২৭ লাখ মেট্রিক টনে নিয়ে যাওয়া।

খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের জন্য সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন বলেন, ১৯৯৬ সালে যখন আমরা ক্ষমতা গ্রহণ করেছিলাম তখন আমরা দেখেছিলোম খাদ্য নিয়ে গবেষণার তেমন কোন ব্যবস্থাই ছিল না। কোথাও কোন রিসার্চ হচ্ছে না। শুধুমাত্রা ইউনিভার্সিটিগুলোতে একটু রিসার্চ হত। এছাড়া রিসার্চের জন্য কোন স্পেশাল বরাদ্দ ছিলনা, কিছুই ছিলনা। আমরা তাৎক্ষণিক আমাদের সেই সময়কার আর্থিক সঙ্গতির অনুয়ায়ী প্রথমেই ১২কোটি টাকা আমি বরাদ্দ করে দিলাম,শুধু রিসার্চের জন্য। আজকে গবেষণার ফসল দেশের মানুষ পাচ্ছে। গবেষণার মাধ্যমে আমরা নতুন নতুন ধান, বীজ উদ্ভাবনই করছি না, আমাদের কৃষকদেরকে বিনামূল্যে বীজ বিতরণ করে আমরা উৎসাহিত করেছি। যার ফলাফলটা আজকে দেশের মানুষ পাচ্ছে। এখন ফসল যেমন উৎপাদন হচ্ছে, মানুষের খাদ্য নিরাপত্তাও নিশ্চিত হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস উপলক্ষে আয়োজিত রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। খাদ্যমন্ত্রণালয়ে সচিব শাহাবুদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, খাদ্যমন্ত্রী সাধনচন্দ্র মজুমদার প্রমুখ

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অবৈধভাবে চাঁদা উত্তোলন করাকালে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকা হতে ০৪ জন পরিবহন চাঁদাবাজকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১০।

খাদ্যে ভেজালবিরোধী অভিযানও জোরদার হবে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ০৮:১৩:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৯

আলোর জগত ডেস্ক :   নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে ভেজালবিরোধী অভিযান জোরদার করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।তিনি বলেছেন, খাদ্যে ভেজাল দেওয়া আমাদের দেশের কিছু কিছু শ্রেণির মানুষের চরিত্রগত বদভ্যাসে পরিণত হয়েছে। সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে আমরা সফল হয়েছি, দুর্নীতিবিরোধী অভিযান চলছে। খাদ্য ভেজালও এক ধরনের দুর্নীতি, ভেজালবিরোধী অভিযান যাতে অব্যাহত থাকে সেজন্য আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি। এ অভিযানকে আরও জোরদার করা হবে।

আজ রবিবার রাজধানীর ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস-২০১৯ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা প্রথমবার সরকারে আসার পরই দেশে পুষ্টিহীনতা দূর করার জন্য নানা ধরনের প্রকল্প হাতে নিই। যদিও পরবর্তী সরকার এসে তা বন্ধ করে দেয়। তবে আমরা নতুন করে আরও নানা উদ্যোগ নিয়েছি।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা খাদ্য উৎপাদনের সঙ্গে সঙ্গে সেগুলো যেন সঠিকভাবে মজুত করা যায় সে লক্ষ্যেও কাজ করে যাচ্ছি। দেশে ২১ লাখ মেট্রিক টন খাদ্য মজুতের সক্ষমতা রয়েছে। আমাদের লক্ষ্য ২৭ লাখ মেট্রিক টনে নিয়ে যাওয়া।

খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের জন্য সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন বলেন, ১৯৯৬ সালে যখন আমরা ক্ষমতা গ্রহণ করেছিলাম তখন আমরা দেখেছিলোম খাদ্য নিয়ে গবেষণার তেমন কোন ব্যবস্থাই ছিল না। কোথাও কোন রিসার্চ হচ্ছে না। শুধুমাত্রা ইউনিভার্সিটিগুলোতে একটু রিসার্চ হত। এছাড়া রিসার্চের জন্য কোন স্পেশাল বরাদ্দ ছিলনা, কিছুই ছিলনা। আমরা তাৎক্ষণিক আমাদের সেই সময়কার আর্থিক সঙ্গতির অনুয়ায়ী প্রথমেই ১২কোটি টাকা আমি বরাদ্দ করে দিলাম,শুধু রিসার্চের জন্য। আজকে গবেষণার ফসল দেশের মানুষ পাচ্ছে। গবেষণার মাধ্যমে আমরা নতুন নতুন ধান, বীজ উদ্ভাবনই করছি না, আমাদের কৃষকদেরকে বিনামূল্যে বীজ বিতরণ করে আমরা উৎসাহিত করেছি। যার ফলাফলটা আজকে দেশের মানুষ পাচ্ছে। এখন ফসল যেমন উৎপাদন হচ্ছে, মানুষের খাদ্য নিরাপত্তাও নিশ্চিত হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস উপলক্ষে আয়োজিত রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। খাদ্যমন্ত্রণালয়ে সচিব শাহাবুদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, খাদ্যমন্ত্রী সাধনচন্দ্র মজুমদার প্রমুখ