০৯:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ৯ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
চট্টগ্রাম-১৫ আসন

স্বতন্ত্র প্রার্থীর বিরুদ্ধে হামলা-অপকর্মের অভিযোগ নৌকা প্রার্থীর

সংবাদ সম্মেলনে করে চট্টগ্রাম-১৫ (আংশিক সাতকানিয়া ও লোহাগাড়া) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ মোতালেব ও তার সমর্থকদের বিরুদ্ধে নির্বাচনী প্রচারণা, গণসংযোগে হামলা ও বিভিন্ন অপকর্মের অভিযোগ করেছেন একই আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ড. আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী।

শুক্রবার (২২ ডিসেম্বর) সাতকানিয়ায় এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নদভীর সহধর্মিণী ও মহিলা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রিজিয়া রেজা চৌধুরী।

এতে বলা হয়, এমপি নদভীর হাতে এই জনপদের মানুষ গত ১০ বছর ধরে ছিল নিরাপদ। উনি প্রতি জুমায় এই অঞ্চলের প্রায় মসজিদে হাজির হয়ে খুতবা প্রদান করেছেন। সংসদের দাঁড়িয়ে জনগণের সমস্যার কথা উল্লেখ করে হাজার হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন করিয়ে এনেছেন। নদী ভাঙন থেকে চরতী, আমিলাইশ, নলুয়াসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের বড় জনপদকে রক্ষায় প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছেন। স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, এতিমখানাগুলোতে অভূতপূর্ব অবকাঠামো উন্নয়ন করেছেন।

‘এত উন্নয়নের ফলশ্রুতিতে নৌকা প্রতীক নিয়ে যখনই নির্বাচনী প্রচারণা করতে মানুষের ঘরে ঘরে যাচ্ছি, ঠিক তখনই আমরা মানুষের স্বতঃস্ফূর্ততা দেখতে পাচ্ছি। নৌকার প্রতি মানুষের এই আন্তরিকতা, স্বতঃস্ফূর্ত উচ্ছ্বাস দেখে আওয়ামী লীগ, শেখ হাসিনা বিরোধী অপশক্তি ঈর্ষান্বিত হয়ে উঠেছে। তারা জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় নৌকার বিরুদ্ধে চক্রান্তে নেমেছে।’

স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সাতকানিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ মোতালেবের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলা হয়, পদে থেকে তিনি নৌকার বিরুদ্ধে বিষোদগার করে বেড়াচ্ছেন। নিজেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী ঘোষণা দেওয়ার পর থেকে এমএ মোতালেবকে যখন সাতকানিয়া- লোহাগাড়ার জনগণ প্রত্যাখ্যান করেছে, ঠিক তখনই নিজের সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে জনগণের ঘরবাড়িতে হামলা, লুটপাট শুরু করেছে।

‘গত ১৯ ডিসেম্বর বিকেল তিনটার দিকে চরতী ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতারা স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে নৌকার প্রার্থীর পক্ষে গণসংযোগ করেন। তারা ৮ নম্বর ওয়ার্ড শেষ করে ফিরে যাওয়ার পরপর স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য মো. সাইফুল লোকজন নিয়ে এসে ইউনিয়ন সাবেক ইউপি সদস্য ইলিয়াস শাহীনের ওপর প্রথমে হামলা চালায়। এ সময় তাদের বাধা দিয়ে এগিয়ে আসলে স্থানীয় ৮-১০ জন লোক আহত হয়। হামলাকারীরা ইলিয়াস শাহীনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়। আসবাবপত্র ভেঙে বাইরে ছুড়ে ফেলে। টাকাপয়সা লুট করে নিয়ে যায়।’

‘এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ২১ ডিসেম্বর আবারও হামলা চালানো হয়। এদিন চরতী ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে দক্ষিণ চরতী কাটাখালী ব্রিজ সংলগ্ন বাজারের পথসভায় হামলার পরিকল্পনা করে। তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী সন্ত্রাসী বাহিনী নৌকা প্রতীকের পক্ষে চলমান গণসংযোগ কর্মসূচীতে হামলা চালায়। এ সময় নৌকার প্রার্থী আবু রেজা নদভীর সহধর্মিণী রিজিয়া রেজা চৌধুরীকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করে। এছাড়া প্রচারণার শুরুর আগে গত ২ ডিসেম্বর পশ্চিম ঢেমশার আওয়ামী লীগ নেতা রিয়াদের বাড়িতে গুলি বর্ষণ করেছে এক চেয়ারম্যান। এটা পত্রিকায় নিউজ হয়েছে এবং সাতকানিয়া থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত মামলা নেয়নি পুলিশ।’

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ২১ ডিসেম্বর নির্বাচনী প্রচারণার সিডিউল অনুসারে জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীসহ নৌকা প্রতীকের সমর্থকরা সাতকানিয়া সদর ইউনিয়নের চিববাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকরা তাদের ওপর হামলা করার চেষ্টা করে। একই দিন পশ্চিম ঢেমশা মোস্তাক মেম্বারের ভাইকে সন্ত্রাসী বাহিনী হামলা করে। বিষয়টি থানায় অবহিত করা হয়েছে। ২১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৭টার দিকে সাতকানিয়া পৌরসভায় স্বতন্ত্র প্রার্থী নৌকার প্রতীকের নির্বাচনী প্রচারণার গাড়ি ভাঙচুর করে।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, আমরা নির্বাচন কমিশন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে উদাত্তস্বরে আহবান জানাই, আমরা আচরণবিধি মেনে চলার মাধ্যমে সুন্দর পরিবেশে প্রচারণা চালানোর জন্য প্রতিনিয়ত সব নেতাকর্মীকে আহ্বান জানিয়ে আসছি। এ পর্যন্ত সব পরিস্থিতিতে ধৈর্যধারণ করে আসছি। কিন্তু শান্তির জনপদ সাতকানিয়া-লোহাগাড়াকে অশান্ত করতে যারা ভোটারদের রক্ত ঝরাচ্ছে তাদের গ্রেপ্তার করে যেন তড়িৎ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। কারণ একের পর এক হামলার ঘটনা ঘটিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থীর লোকজন আতঙ্ক ছড়িয়ে দিচ্ছে, যেন ভোটাররা কেন্দ্রে না যায়। তারা দখলদারি মনোভাব পোষণ করে পেছনের দরজা দিয়ে ভোটের পরিবেশ বিনষ্টের কূটকৌশল করছে।

‘আমরা স্পষ্ট করেই বলতে চাই, ঢাকায় বসে থাকা একজনের কলকাঠিতে সাতকানিয়া-লোহাগাড়ায় রক্ত ঝরছে। যদি আবারও যদি কোনো ভোটার কিংবা নৌকার সমর্থকদের রক্ত ঝরানো হয়, তাহলে ঢাকায় বসে বসে যিনি এসব করছেন তার মুখোশ উন্মোচন করা হবে। পাশাপাশি সাতকানিয়া-লোহাগাড়ার জনগণ এই সন্ত্রাসী বাহিনীকে রাজপথে প্রতিহত করে একটি সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের পরিবেশ তৈরি করবে।’

এদিকে হামলার অভিযোগের বিষয়ে ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ মোতালেবের প্রধান নির্বাচনী প্রধান সমন্বয়ক ডা. আ ম ম মিনহাজুর রহমান বলেন, চরতী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান মেম্বারের দ্বন্দ্ব দীর্ঘসময় ধরে ধারাবাহিকভাবে চলে আসছে। এর সঙ্গে রাজনীতি বা আসন্ন নির্বাচনের আদৌ কোনো সম্পর্ক নেই। এ ঘটনার কোনো দায় তাই কোনমতেই স্বতন্ত্র প্রার্থীর নয়।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Md. Mofajjal

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ইন্টারন্যাশনাল রিলেশনস রিপোর্টার্স ফোরামের শ্রদ্ধা

চট্টগ্রাম-১৫ আসন

স্বতন্ত্র প্রার্থীর বিরুদ্ধে হামলা-অপকর্মের অভিযোগ নৌকা প্রার্থীর

Update Time : ০১:২০:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৩

সংবাদ সম্মেলনে করে চট্টগ্রাম-১৫ (আংশিক সাতকানিয়া ও লোহাগাড়া) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ মোতালেব ও তার সমর্থকদের বিরুদ্ধে নির্বাচনী প্রচারণা, গণসংযোগে হামলা ও বিভিন্ন অপকর্মের অভিযোগ করেছেন একই আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ড. আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী।

শুক্রবার (২২ ডিসেম্বর) সাতকানিয়ায় এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নদভীর সহধর্মিণী ও মহিলা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রিজিয়া রেজা চৌধুরী।

এতে বলা হয়, এমপি নদভীর হাতে এই জনপদের মানুষ গত ১০ বছর ধরে ছিল নিরাপদ। উনি প্রতি জুমায় এই অঞ্চলের প্রায় মসজিদে হাজির হয়ে খুতবা প্রদান করেছেন। সংসদের দাঁড়িয়ে জনগণের সমস্যার কথা উল্লেখ করে হাজার হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন করিয়ে এনেছেন। নদী ভাঙন থেকে চরতী, আমিলাইশ, নলুয়াসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের বড় জনপদকে রক্ষায় প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছেন। স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, এতিমখানাগুলোতে অভূতপূর্ব অবকাঠামো উন্নয়ন করেছেন।

‘এত উন্নয়নের ফলশ্রুতিতে নৌকা প্রতীক নিয়ে যখনই নির্বাচনী প্রচারণা করতে মানুষের ঘরে ঘরে যাচ্ছি, ঠিক তখনই আমরা মানুষের স্বতঃস্ফূর্ততা দেখতে পাচ্ছি। নৌকার প্রতি মানুষের এই আন্তরিকতা, স্বতঃস্ফূর্ত উচ্ছ্বাস দেখে আওয়ামী লীগ, শেখ হাসিনা বিরোধী অপশক্তি ঈর্ষান্বিত হয়ে উঠেছে। তারা জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় নৌকার বিরুদ্ধে চক্রান্তে নেমেছে।’

স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সাতকানিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ মোতালেবের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলা হয়, পদে থেকে তিনি নৌকার বিরুদ্ধে বিষোদগার করে বেড়াচ্ছেন। নিজেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী ঘোষণা দেওয়ার পর থেকে এমএ মোতালেবকে যখন সাতকানিয়া- লোহাগাড়ার জনগণ প্রত্যাখ্যান করেছে, ঠিক তখনই নিজের সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে জনগণের ঘরবাড়িতে হামলা, লুটপাট শুরু করেছে।

‘গত ১৯ ডিসেম্বর বিকেল তিনটার দিকে চরতী ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতারা স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে নৌকার প্রার্থীর পক্ষে গণসংযোগ করেন। তারা ৮ নম্বর ওয়ার্ড শেষ করে ফিরে যাওয়ার পরপর স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য মো. সাইফুল লোকজন নিয়ে এসে ইউনিয়ন সাবেক ইউপি সদস্য ইলিয়াস শাহীনের ওপর প্রথমে হামলা চালায়। এ সময় তাদের বাধা দিয়ে এগিয়ে আসলে স্থানীয় ৮-১০ জন লোক আহত হয়। হামলাকারীরা ইলিয়াস শাহীনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়। আসবাবপত্র ভেঙে বাইরে ছুড়ে ফেলে। টাকাপয়সা লুট করে নিয়ে যায়।’

‘এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ২১ ডিসেম্বর আবারও হামলা চালানো হয়। এদিন চরতী ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে দক্ষিণ চরতী কাটাখালী ব্রিজ সংলগ্ন বাজারের পথসভায় হামলার পরিকল্পনা করে। তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী সন্ত্রাসী বাহিনী নৌকা প্রতীকের পক্ষে চলমান গণসংযোগ কর্মসূচীতে হামলা চালায়। এ সময় নৌকার প্রার্থী আবু রেজা নদভীর সহধর্মিণী রিজিয়া রেজা চৌধুরীকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করে। এছাড়া প্রচারণার শুরুর আগে গত ২ ডিসেম্বর পশ্চিম ঢেমশার আওয়ামী লীগ নেতা রিয়াদের বাড়িতে গুলি বর্ষণ করেছে এক চেয়ারম্যান। এটা পত্রিকায় নিউজ হয়েছে এবং সাতকানিয়া থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত মামলা নেয়নি পুলিশ।’

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ২১ ডিসেম্বর নির্বাচনী প্রচারণার সিডিউল অনুসারে জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীসহ নৌকা প্রতীকের সমর্থকরা সাতকানিয়া সদর ইউনিয়নের চিববাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকরা তাদের ওপর হামলা করার চেষ্টা করে। একই দিন পশ্চিম ঢেমশা মোস্তাক মেম্বারের ভাইকে সন্ত্রাসী বাহিনী হামলা করে। বিষয়টি থানায় অবহিত করা হয়েছে। ২১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৭টার দিকে সাতকানিয়া পৌরসভায় স্বতন্ত্র প্রার্থী নৌকার প্রতীকের নির্বাচনী প্রচারণার গাড়ি ভাঙচুর করে।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, আমরা নির্বাচন কমিশন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে উদাত্তস্বরে আহবান জানাই, আমরা আচরণবিধি মেনে চলার মাধ্যমে সুন্দর পরিবেশে প্রচারণা চালানোর জন্য প্রতিনিয়ত সব নেতাকর্মীকে আহ্বান জানিয়ে আসছি। এ পর্যন্ত সব পরিস্থিতিতে ধৈর্যধারণ করে আসছি। কিন্তু শান্তির জনপদ সাতকানিয়া-লোহাগাড়াকে অশান্ত করতে যারা ভোটারদের রক্ত ঝরাচ্ছে তাদের গ্রেপ্তার করে যেন তড়িৎ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। কারণ একের পর এক হামলার ঘটনা ঘটিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থীর লোকজন আতঙ্ক ছড়িয়ে দিচ্ছে, যেন ভোটাররা কেন্দ্রে না যায়। তারা দখলদারি মনোভাব পোষণ করে পেছনের দরজা দিয়ে ভোটের পরিবেশ বিনষ্টের কূটকৌশল করছে।

‘আমরা স্পষ্ট করেই বলতে চাই, ঢাকায় বসে থাকা একজনের কলকাঠিতে সাতকানিয়া-লোহাগাড়ায় রক্ত ঝরছে। যদি আবারও যদি কোনো ভোটার কিংবা নৌকার সমর্থকদের রক্ত ঝরানো হয়, তাহলে ঢাকায় বসে বসে যিনি এসব করছেন তার মুখোশ উন্মোচন করা হবে। পাশাপাশি সাতকানিয়া-লোহাগাড়ার জনগণ এই সন্ত্রাসী বাহিনীকে রাজপথে প্রতিহত করে একটি সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের পরিবেশ তৈরি করবে।’

এদিকে হামলার অভিযোগের বিষয়ে ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ মোতালেবের প্রধান নির্বাচনী প্রধান সমন্বয়ক ডা. আ ম ম মিনহাজুর রহমান বলেন, চরতী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান মেম্বারের দ্বন্দ্ব দীর্ঘসময় ধরে ধারাবাহিকভাবে চলে আসছে। এর সঙ্গে রাজনীতি বা আসন্ন নির্বাচনের আদৌ কোনো সম্পর্ক নেই। এ ঘটনার কোনো দায় তাই কোনমতেই স্বতন্ত্র প্রার্থীর নয়।