ঢাকা ০৩:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪
সংবাদ শিরোনাম :

দুর্যোগ প্রতিরোধে প্রতিবেশী দেশেগুলোর সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ

আলোর জগত ডেস্ক :  দুর্যোগে ক্ষয়ক্ষতি কার্যকরভাবে মোকাবেলায় বিভিন্ন দেশের বিশেষ করে পার্শ্ববর্তী দেশসমূহের মধ্যে সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ বৃহস্পতিবার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে এশিয়া ও প্রশান্ত মাহসাগরীয় রিজিওনাল কনসালটিভ গ্রুপের চতুর্থ সেশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা দুর্যোগ প্রতিরোধ করতে পারব না। তবে আমাদের দূরদর্শী কাজের মাধ্যমে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ হ্রাস করতে পারি। বাংলাদেশে আমরা ক্ষয়ক্ষতি হ্রাসে প্রশমন কর্মসূচির উপর গুরুত্বারোপ করেছি।

তিনি এ সময় মনুষ্য সৃষ্ট দুর্যোগ মোকাবেলার জন্যও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, আমরা যানবাহন দুর্ঘটনা, অগ্নিকাণ্ড, ভবন বা সেতু ধ্বংস, সন্ত্রাসী আক্রমণের মত মনুষ্যসৃষ্ট দুর্যোগকেও উপেক্ষা করতে পারি না। এসব দুর্যোগ মোকাবিলায় আমাদের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

মানবিক সহায়তার কাজে স্বেচ্ছাসেবক ও বিশেষজ্ঞদের ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিভিন্ন দুর্যোগে স্বেচ্ছাসেবকেরা যেভাবে কাজ করেন, তাতে ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানির পরিমাণ অনেক কমে এসেছে। এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিদের পরামর্শও কাজে আসছে।

অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া এশিয়া ও প্রশান্ত মাহসাগরীয় দেশগুলোকে দুর্যোগে ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি কমাতে পারস্পরিক জ্ঞান ও প্রযুক্তিগত সহায়তা বিনিময়ের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, দুর্যোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব না। তবে ক্ষতি হ্রাস করা যায়। ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় প্রতিবেশি দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক জ্ঞান ও প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ থাকা দরকার।

মানবিক কাজে প্রতিবেশি রাষ্ট্রগুলো একে অপরের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ১১ লাখের মতো রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ মানবিক সহায়তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে চিকিৎসার চেক হস্তান্ত।

দুর্যোগ প্রতিরোধে প্রতিবেশী দেশেগুলোর সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ

আপডেট টাইম : ১১:১২:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০১৯

আলোর জগত ডেস্ক :  দুর্যোগে ক্ষয়ক্ষতি কার্যকরভাবে মোকাবেলায় বিভিন্ন দেশের বিশেষ করে পার্শ্ববর্তী দেশসমূহের মধ্যে সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ বৃহস্পতিবার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে এশিয়া ও প্রশান্ত মাহসাগরীয় রিজিওনাল কনসালটিভ গ্রুপের চতুর্থ সেশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা দুর্যোগ প্রতিরোধ করতে পারব না। তবে আমাদের দূরদর্শী কাজের মাধ্যমে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ হ্রাস করতে পারি। বাংলাদেশে আমরা ক্ষয়ক্ষতি হ্রাসে প্রশমন কর্মসূচির উপর গুরুত্বারোপ করেছি।

তিনি এ সময় মনুষ্য সৃষ্ট দুর্যোগ মোকাবেলার জন্যও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, আমরা যানবাহন দুর্ঘটনা, অগ্নিকাণ্ড, ভবন বা সেতু ধ্বংস, সন্ত্রাসী আক্রমণের মত মনুষ্যসৃষ্ট দুর্যোগকেও উপেক্ষা করতে পারি না। এসব দুর্যোগ মোকাবিলায় আমাদের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

মানবিক সহায়তার কাজে স্বেচ্ছাসেবক ও বিশেষজ্ঞদের ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিভিন্ন দুর্যোগে স্বেচ্ছাসেবকেরা যেভাবে কাজ করেন, তাতে ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানির পরিমাণ অনেক কমে এসেছে। এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিদের পরামর্শও কাজে আসছে।

অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া এশিয়া ও প্রশান্ত মাহসাগরীয় দেশগুলোকে দুর্যোগে ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি কমাতে পারস্পরিক জ্ঞান ও প্রযুক্তিগত সহায়তা বিনিময়ের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, দুর্যোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব না। তবে ক্ষতি হ্রাস করা যায়। ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় প্রতিবেশি দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক জ্ঞান ও প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ থাকা দরকার।

মানবিক কাজে প্রতিবেশি রাষ্ট্রগুলো একে অপরের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ১১ লাখের মতো রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ মানবিক সহায়তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।