ঢাকা ০৯:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

আল-শিফা হাসপাতাল চতুর্দিক থেকে ঘিরে ফেলেছে ইসরায়েলি ট্যাংক

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার বৃহত্তম আল-শিফা হাসপাতালের চারদিক থেকে ট্যাংক দিয়ে ঘিরে ফেলেছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। এই হাসপাতালের ভেতরে শত শত রোগী রয়েছেন; যাদের মধ্যে অনেক শিশুও আছে। জ্বালানি ফুরিয়ে যাওয়ায় বন্ধ হয়ে গেছে হাসপাতালটির জেনারেটর। যে কারণে মুমূর্ষু অবস্থায় চিকিৎসাধীন রোগীরা এখন মৃত্যুর প্রহর গুনছেন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে (ডব্লিউএইচও) বলেছে, গাজা শহরের বৃহত্তম আল-শিফা হাসপাতাল ‘প্রায় কবরস্থানে’ পরিণত হয়েছে। হাসপাতালের স্থাপনার ভেতরে এবং বাইরে মরদেহ স্তূপ করে রাখা হয়েছে। এমনকি তাদের দাফনের ব্যবস্থাও করা সম্ভব হচ্ছে না।

মঙ্গলবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির একজন প্রতিনিধি হাসপাতালের ভেতরে অবস্থানরত এক কর্মকর্তার সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন। বিবিসিকে তিনি বলেছেন, হাসপাতালে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি এখনও বিরাজ করছে। তিনি রাতভর কয়েকটি বিস্ফোরণ ও গুলি বিনিময়ের শব্দ শুনেছেন।

তিনি বলেছেন, চতুর্দিক থেকে ট্যাংক দিয়ে হাসপাতালটি ঘিরে ফেলা হয়েছে। হাসপাতালে প্রবেশ এবং বের হওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এমনকি হাসপাতালের ভেতরের এক ভবন থেকে অন্য ভবনে যাওয়াই বড় ঝুঁকি। হাসপাতালে বিদ্যুৎ নেই, পানি নেই এবং পর্যাপ্ত ওষুধও নেই। লোকজন মারা যাচ্ছে।

আপলোডকারীর তথ্য

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ইন্টারন্যাশনাল রিলেশনস রিপোর্টার্স ফোরামের শ্রদ্ধা

আল-শিফা হাসপাতাল চতুর্দিক থেকে ঘিরে ফেলেছে ইসরায়েলি ট্যাংক

আপডেট টাইম : ০৩:৩৮:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ নভেম্বর ২০২৩

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার বৃহত্তম আল-শিফা হাসপাতালের চারদিক থেকে ট্যাংক দিয়ে ঘিরে ফেলেছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। এই হাসপাতালের ভেতরে শত শত রোগী রয়েছেন; যাদের মধ্যে অনেক শিশুও আছে। জ্বালানি ফুরিয়ে যাওয়ায় বন্ধ হয়ে গেছে হাসপাতালটির জেনারেটর। যে কারণে মুমূর্ষু অবস্থায় চিকিৎসাধীন রোগীরা এখন মৃত্যুর প্রহর গুনছেন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে (ডব্লিউএইচও) বলেছে, গাজা শহরের বৃহত্তম আল-শিফা হাসপাতাল ‘প্রায় কবরস্থানে’ পরিণত হয়েছে। হাসপাতালের স্থাপনার ভেতরে এবং বাইরে মরদেহ স্তূপ করে রাখা হয়েছে। এমনকি তাদের দাফনের ব্যবস্থাও করা সম্ভব হচ্ছে না।

মঙ্গলবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির একজন প্রতিনিধি হাসপাতালের ভেতরে অবস্থানরত এক কর্মকর্তার সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন। বিবিসিকে তিনি বলেছেন, হাসপাতালে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি এখনও বিরাজ করছে। তিনি রাতভর কয়েকটি বিস্ফোরণ ও গুলি বিনিময়ের শব্দ শুনেছেন।

তিনি বলেছেন, চতুর্দিক থেকে ট্যাংক দিয়ে হাসপাতালটি ঘিরে ফেলা হয়েছে। হাসপাতালে প্রবেশ এবং বের হওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এমনকি হাসপাতালের ভেতরের এক ভবন থেকে অন্য ভবনে যাওয়াই বড় ঝুঁকি। হাসপাতালে বিদ্যুৎ নেই, পানি নেই এবং পর্যাপ্ত ওষুধও নেই। লোকজন মারা যাচ্ছে।