ঢাকা ০১:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪
সংবাদ শিরোনাম :

মানসিক সুস্থতায় কাজ করছে টিকটক

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক:


বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষ্যে টিকটক মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা বাড়ানোর জন্য ক্যাম্পেইন চালু করেছে। যা চলছে অক্টোবর মাস জুড়ে। বিশ্বজুড়ে মানসিক স্বাস্থ্যের সমস্যাগুলোকে কমিয়ে আনার লক্ষ্যে টিকটক মানসিক স্বাস্থ্য দিবসটি উদযাপন করছে।

এই বছর বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবসকে গুরুত্ব দিতে টিকটক এর প্ল্যাটফর্মে এই বিষয়ে বিশেষজ্ঞ, ক্রিয়েটর এবং এডভোকেটদের গল্প তুলে ধরেছে। একাত্মতা প্রকাশের অংশ হিসেবে রেয়ার ইম্প্যাক্ট ফান্ডে টিকটক ২৫০,০০০ ডলার প্রদান করে এবং গত ৪ অক্টোবর সংগঠনটির অনুষ্ঠানে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্পন্সর হিসেবে কাজ করে। তরুণ প্রজন্মকে মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে জানাতে ও সেবা প্রচারের উদ্দেশ্যে এই ইভেন্টটির আয়োজন করা হয়। রেয়ার ইম্প্যাক্ট ফান্ড হলো সেলেনা গমেজের একটি উদ্যোগ। যা মানসিক স্বাস্থ্য ও আত্ম-সচেতনতা নিয়ে কাজ করে।

বাংলাদেশে ক্রিয়েটর ও প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে কাজ করেছে টিকটক। মানসিক সুস্থতা বা ওয়েল বিয়িংয়ের বিষয়গুলোর সাথে প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারকারীদের সম্পৃক্ত করতে টিকটক এর ওয়েলনেস হাব পেইজে অনেক ভিডিও ও প্লেলিস্ট প্রদান করে। জুবায়ের, নানজিবা এবং সাইফ সারওয়ার এর মতো দেশের আরও অনেক ক্রিয়েটর এই ক্যাম্পেইনে অংশ নিয়েছেন। সেলিব্রিটি, নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ ও ব্র্যাক এবং ইউনিসেফ সাউথ এশিয়ার মতো প্রতিষ্ঠানগুলো এতে সহযোগিতা করেন।

ক্রিয়েটর নানজিবা বলেন, মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতন করতে টিকটকের উদ্যোগটি প্রশংসনীয়। নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করার জন্য এই প্ল্যাটফর্মটি আমার মত অনেকের জন্য একটি দারুণ সুযোগ। অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া বলেন, মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে আলোচনা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। টিকটক এমন একটি প্ল্যাটফর্ম হয়ে উঠেছে যা সহানুভূতি ও সচেতনতা প্রদানে অবদান রাখে।

ব্র্যাক জানিয়েছে, আমরা টিকটকের মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা প্রচারের উদ্যোগকে স্বাগত জানাই। এই ধরনের প্রচারাভিযান মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়ানোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ক্রিয়েটর জুবায়ের বলেন, টিকটকের মানসিক স্বাস্থ্য উদ্যোগটি খুবই উৎসাহমূলক । আমি আশা করি এই উদ্যোগ চলমান থাকবে। বাংলাদেশি ব্যবহারকারীরা তাদের অনুপ্রেরণামূলক গল্প ও সুস্থতার অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে উৎসাহিত হচ্ছেন লোকাল হ্যাশট্যাগ #মেন্টালহেলথ এবং #সেলফকেয়ার ব্যবহার করে।

 

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে চিকিৎসার চেক হস্তান্ত, সাবেক এম পি নুরুল আমিন রুহুল

মানসিক সুস্থতায় কাজ করছে টিকটক

আপডেট টাইম : ০৭:০১:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৩

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক:


বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষ্যে টিকটক মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা বাড়ানোর জন্য ক্যাম্পেইন চালু করেছে। যা চলছে অক্টোবর মাস জুড়ে। বিশ্বজুড়ে মানসিক স্বাস্থ্যের সমস্যাগুলোকে কমিয়ে আনার লক্ষ্যে টিকটক মানসিক স্বাস্থ্য দিবসটি উদযাপন করছে।

এই বছর বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবসকে গুরুত্ব দিতে টিকটক এর প্ল্যাটফর্মে এই বিষয়ে বিশেষজ্ঞ, ক্রিয়েটর এবং এডভোকেটদের গল্প তুলে ধরেছে। একাত্মতা প্রকাশের অংশ হিসেবে রেয়ার ইম্প্যাক্ট ফান্ডে টিকটক ২৫০,০০০ ডলার প্রদান করে এবং গত ৪ অক্টোবর সংগঠনটির অনুষ্ঠানে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্পন্সর হিসেবে কাজ করে। তরুণ প্রজন্মকে মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে জানাতে ও সেবা প্রচারের উদ্দেশ্যে এই ইভেন্টটির আয়োজন করা হয়। রেয়ার ইম্প্যাক্ট ফান্ড হলো সেলেনা গমেজের একটি উদ্যোগ। যা মানসিক স্বাস্থ্য ও আত্ম-সচেতনতা নিয়ে কাজ করে।

বাংলাদেশে ক্রিয়েটর ও প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে কাজ করেছে টিকটক। মানসিক সুস্থতা বা ওয়েল বিয়িংয়ের বিষয়গুলোর সাথে প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারকারীদের সম্পৃক্ত করতে টিকটক এর ওয়েলনেস হাব পেইজে অনেক ভিডিও ও প্লেলিস্ট প্রদান করে। জুবায়ের, নানজিবা এবং সাইফ সারওয়ার এর মতো দেশের আরও অনেক ক্রিয়েটর এই ক্যাম্পেইনে অংশ নিয়েছেন। সেলিব্রিটি, নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ ও ব্র্যাক এবং ইউনিসেফ সাউথ এশিয়ার মতো প্রতিষ্ঠানগুলো এতে সহযোগিতা করেন।

ক্রিয়েটর নানজিবা বলেন, মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতন করতে টিকটকের উদ্যোগটি প্রশংসনীয়। নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করার জন্য এই প্ল্যাটফর্মটি আমার মত অনেকের জন্য একটি দারুণ সুযোগ। অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া বলেন, মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে আলোচনা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। টিকটক এমন একটি প্ল্যাটফর্ম হয়ে উঠেছে যা সহানুভূতি ও সচেতনতা প্রদানে অবদান রাখে।

ব্র্যাক জানিয়েছে, আমরা টিকটকের মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা প্রচারের উদ্যোগকে স্বাগত জানাই। এই ধরনের প্রচারাভিযান মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়ানোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ক্রিয়েটর জুবায়ের বলেন, টিকটকের মানসিক স্বাস্থ্য উদ্যোগটি খুবই উৎসাহমূলক । আমি আশা করি এই উদ্যোগ চলমান থাকবে। বাংলাদেশি ব্যবহারকারীরা তাদের অনুপ্রেরণামূলক গল্প ও সুস্থতার অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে উৎসাহিত হচ্ছেন লোকাল হ্যাশট্যাগ #মেন্টালহেলথ এবং #সেলফকেয়ার ব্যবহার করে।