০১:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৩, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

দুদকের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কাল : অভিযোগ ও সাজা দুটোই বেড়েছে

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৪:৫১:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০১৭
  • ৩২০ Time View

ফাইল ছবি

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) ত্রয়োদশ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আগামীকাল মঙ্গলবার। নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করবে দুদক। সকাল সাড়ে নয়টায় কমিশনের প্রধান কার্যালয় প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা ও কমিশনের পতাকা উত্তোলন করবেন দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ।

এছাড়া তিনি সকাল পৌনে দশটায় একই স্থানে শান্তির প্রতীক পায়রা অবমুক্ত, বেলুন ও ফেস্টুন উড়ানো ছাড়াও বেলা ১০টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা অডিটোরিয়ামে কমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দুর্নীতিমুক্ত থেকে দাফতরিক কার্যক্রম পরিচালনায় অঙ্গীকারাবদ্ধ থাকার লক্ষ্যে দুর্নীতিবিরোধী শপথ বাক্য পাঠ করাবেন।

একই স্থানে একই সময় দুর্নীতি দমন কমিশনের চলতি বছরের সার্বিক কার্যক্রম বিষয়ক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দীন। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কমিশনের ৬টি বিভাগীয় কার্যালয় এবং ২২টি সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে একই কর্মসূচি উদযাপন করা হবে।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি উদযাপন উপলক্ষে কমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেন, দুদকের সব আকাঙ্খা পূরণ হয়নি। আশা ছিল এমন অবস্থার সৃষ্টি হবে যাতে দুর্নীতিপরায়ণ ব্যক্তি বিশেষ করে সরকারি কর্মকর্তারা দুর্নীতি করার অনৈতিক সাহস সম্পূর্ণ হারিয়ে ফেলেন। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে এখনও সে পর্যায়ে যেতে পারেনি দুদক।

তিনি বলেন, কমিশনের বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণের কারণেই এই প্রতিষ্ঠানের প্রতি জনগণের আস্থা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০১৫ সাল থেকে ২০১৭ সালে কমিশনে অভিযোগ প্রাপ্তি বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ৬০ শতাংশ। ২০১৭ সালে মামলার সাজার হার বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় ৭০ শতাংশে উপনীত হয়েছে ।

তিনি বলেন, দুদকের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য কর্মকর্তাদের দেশ-বিদেশে প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। এ বছর কমিশনের নিজস্ব হাজতখানা, সশস্ত্র পুলিশ ইউনিট, গোয়েন্দা ইউনিট, দুদক অভিযোগ কেন্দ্রের হটলাইন ১০৬, রেকর্ড রুম নির্মাণ, সম্পদ পুনরুদ্ধার ইউনিট গঠনসহ বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণের উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হয়েছে। তিনি এসব কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য কর্মকর্তাদের অভিনন্দন জানান।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

দুদকের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কাল : অভিযোগ ও সাজা দুটোই বেড়েছে

Update Time : ০৪:৫১:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০১৭

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) ত্রয়োদশ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আগামীকাল মঙ্গলবার। নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করবে দুদক। সকাল সাড়ে নয়টায় কমিশনের প্রধান কার্যালয় প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা ও কমিশনের পতাকা উত্তোলন করবেন দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ।

এছাড়া তিনি সকাল পৌনে দশটায় একই স্থানে শান্তির প্রতীক পায়রা অবমুক্ত, বেলুন ও ফেস্টুন উড়ানো ছাড়াও বেলা ১০টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা অডিটোরিয়ামে কমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দুর্নীতিমুক্ত থেকে দাফতরিক কার্যক্রম পরিচালনায় অঙ্গীকারাবদ্ধ থাকার লক্ষ্যে দুর্নীতিবিরোধী শপথ বাক্য পাঠ করাবেন।

একই স্থানে একই সময় দুর্নীতি দমন কমিশনের চলতি বছরের সার্বিক কার্যক্রম বিষয়ক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দীন। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কমিশনের ৬টি বিভাগীয় কার্যালয় এবং ২২টি সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে একই কর্মসূচি উদযাপন করা হবে।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি উদযাপন উপলক্ষে কমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেন, দুদকের সব আকাঙ্খা পূরণ হয়নি। আশা ছিল এমন অবস্থার সৃষ্টি হবে যাতে দুর্নীতিপরায়ণ ব্যক্তি বিশেষ করে সরকারি কর্মকর্তারা দুর্নীতি করার অনৈতিক সাহস সম্পূর্ণ হারিয়ে ফেলেন। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে এখনও সে পর্যায়ে যেতে পারেনি দুদক।

তিনি বলেন, কমিশনের বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণের কারণেই এই প্রতিষ্ঠানের প্রতি জনগণের আস্থা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০১৫ সাল থেকে ২০১৭ সালে কমিশনে অভিযোগ প্রাপ্তি বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ৬০ শতাংশ। ২০১৭ সালে মামলার সাজার হার বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় ৭০ শতাংশে উপনীত হয়েছে ।

তিনি বলেন, দুদকের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য কর্মকর্তাদের দেশ-বিদেশে প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। এ বছর কমিশনের নিজস্ব হাজতখানা, সশস্ত্র পুলিশ ইউনিট, গোয়েন্দা ইউনিট, দুদক অভিযোগ কেন্দ্রের হটলাইন ১০৬, রেকর্ড রুম নির্মাণ, সম্পদ পুনরুদ্ধার ইউনিট গঠনসহ বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণের উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হয়েছে। তিনি এসব কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য কর্মকর্তাদের অভিনন্দন জানান।