ঢাকা ০১:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪
সংবাদ শিরোনাম :

ঢাকার খালগুলো স্থায়ীভাবে দখলমুক্ত হবে : মেয়র তাপস

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : ০৪:২৪:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৩
  • ৪৪ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেছেন, খালের পাশে যেন জনগণ একটি উপভোগ্য নান্দনিক পরিবেশ পায় সে অনুযায়ী আমারা কাজ করছি। আগামী ২ বছর মেয়াদে প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। আমরা আশাবাদী, এতে করে স্থায়ীভাবে খালগুলো দখলমুক্ত হবে।

বুধবার (২০ ডিসেম্বর) বংশালের নয়াবাজার এলাকায় ‘নয়াবাজার গণ-শৌচাগার’ উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

মেয়র তাপস বলেন, ওয়াসার কাছ থেকে হস্তান্তরের পর বাৎসরিক সূচি অনুযায়ী জানুয়ারি মাস হতে আমরা খাল এবং নর্দমা থেকে বর্জ্য ও পলি অপসারণ করে চলেছি। যাতে করে বর্ষা মৌসুমের আগেই সেগুলো পরিষ্কার হয় এবং জলাবদ্ধতা সৃষ্টি না হয়। এছাড়াও জিরানি, মান্ডা, শ্যামপুর ও কালুনগর খাল নিয়ে প্রধানমন্ত্রী আমাদের যে প্রকল্প পাস করে দিয়েছেন, সে প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। জিরানি খালের ত্রিমোহনী হতে আমাদের কাজ শুরু হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা এখন পূর্ণরূপে খনন, বর্জ্য অপসারণ এবং সীমানা চিহ্নিতকরণ করছি। সীমানা নিশ্চিত করে আমরা সেখানে বেষ্টনী দিব। এ নিয়ে আমাদের পরামর্শকরা কাজ করেছেন। সেখানে হাঁটার পথ, সাইকেল চালানোর পথ, গণপরিসর সৃষ্টি, সবুজায়ন করা হবে। যাতে করে এলাকার জনগণ একটি উপভোগ্য নান্দনিক পরিবেশ পায়।

পরে মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস হাজারিবাগ এলাকার ১৪ ও ২২ নম্বর ওয়ার্ডে গরীব-দুস্থ জনগোষ্ঠীর মাঝে কম্বল বিতরণ করেন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান, সচিব আকরামুজ্জামান, প্রধান প্রকৌশলী আশিকুর রহমান, ৪ নম্বর অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আতাহার মিয়া, ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের মো. আব্দুল মান্নান, ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইলিয়াছুর রহমান, ২২ নম্বর ওয়ার্ডের আয়শা মোকাররম প্রমুখ।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে চিকিৎসার চেক হস্তান্ত, সাবেক এম পি নুরুল আমিন রুহুল

ঢাকার খালগুলো স্থায়ীভাবে দখলমুক্ত হবে : মেয়র তাপস

আপডেট টাইম : ০৪:২৪:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৩

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেছেন, খালের পাশে যেন জনগণ একটি উপভোগ্য নান্দনিক পরিবেশ পায় সে অনুযায়ী আমারা কাজ করছি। আগামী ২ বছর মেয়াদে প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। আমরা আশাবাদী, এতে করে স্থায়ীভাবে খালগুলো দখলমুক্ত হবে।

বুধবার (২০ ডিসেম্বর) বংশালের নয়াবাজার এলাকায় ‘নয়াবাজার গণ-শৌচাগার’ উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

মেয়র তাপস বলেন, ওয়াসার কাছ থেকে হস্তান্তরের পর বাৎসরিক সূচি অনুযায়ী জানুয়ারি মাস হতে আমরা খাল এবং নর্দমা থেকে বর্জ্য ও পলি অপসারণ করে চলেছি। যাতে করে বর্ষা মৌসুমের আগেই সেগুলো পরিষ্কার হয় এবং জলাবদ্ধতা সৃষ্টি না হয়। এছাড়াও জিরানি, মান্ডা, শ্যামপুর ও কালুনগর খাল নিয়ে প্রধানমন্ত্রী আমাদের যে প্রকল্প পাস করে দিয়েছেন, সে প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। জিরানি খালের ত্রিমোহনী হতে আমাদের কাজ শুরু হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা এখন পূর্ণরূপে খনন, বর্জ্য অপসারণ এবং সীমানা চিহ্নিতকরণ করছি। সীমানা নিশ্চিত করে আমরা সেখানে বেষ্টনী দিব। এ নিয়ে আমাদের পরামর্শকরা কাজ করেছেন। সেখানে হাঁটার পথ, সাইকেল চালানোর পথ, গণপরিসর সৃষ্টি, সবুজায়ন করা হবে। যাতে করে এলাকার জনগণ একটি উপভোগ্য নান্দনিক পরিবেশ পায়।

পরে মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস হাজারিবাগ এলাকার ১৪ ও ২২ নম্বর ওয়ার্ডে গরীব-দুস্থ জনগোষ্ঠীর মাঝে কম্বল বিতরণ করেন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান, সচিব আকরামুজ্জামান, প্রধান প্রকৌশলী আশিকুর রহমান, ৪ নম্বর অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আতাহার মিয়া, ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের মো. আব্দুল মান্নান, ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইলিয়াছুর রহমান, ২২ নম্বর ওয়ার্ডের আয়শা মোকাররম প্রমুখ।