ঢাকা ০৯:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

খুলনা সিটি কর্পোরেশনে ডেঙ্গু মশার উপদ্রব বেসামাল পর্যায়ে

খুলনা সিটি কর্পোরেশনে বিভিন্ন রাস্তাঘাটে চলছে মেরামত ও সংস্কারের কাজ। ড্রেন সম্প্রসারণ,প্রশস্ত করণ ও কালভার্ট মেরামত ও প্রশস্ত করণ রাস্তা পুনঃনির্মাণ।এ সকল কাজের জন্য প্রায়শী জমা হচ্ছে রাস্তার উপরে ময়লা কাদা আবর্জনা এবং নোংরা পানি।এসকল নোংরা পানিতে জন্ম নিচ্ছে ডেঙ্গু মশা।যার ফলে প্রতিনিয়ত এলাকাবাসী ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হচ্ছে এবং খুলনা মেডিকেলের কলেজে হাসপাতলে,এবং খুলনা জেলা সদর হাসপাতালে বাড়ছে রোগীর চাপ।

এ সকল হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থা করতে হিমশিম খাচ্ছে উক্ত হাসপাতালের ডাক্তারগণ। যেন কিছুতেই কমছে না ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ডেঙ্গু রোগীর চাপ।এছাড়া উক্ত রোগীর চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন হয় খাবার সেলাই নে যা মার্কেটে বর্তমানে সরবরাহের রয়েছে প্রচন্ড পরিমাণে ঘাটতি। অপরদিকে একশ্রেণির অসাধু ঔষুধ ব্যবসায়ী এ সকল স্যালাইন এর দাম বাড়িয়ে বিক্রি করছেন রোগীর স্বজনদের নিকট।হাসপাতালগুলোর সামনে,ও পেছনে ময়লা আবর্জনা নোংরা পরিবেশের কারণে এসব হাসপাতালও কম নেই ডেঙ্গু মশার পরিমাণ।হাসপাতাল গুলোতে মশা নিধানের নেই তেমন কোন সুব্যবস্থা।

অপরদিকে খুলনা সিটি কর্পোরেশন কোন প্রকার উদ্যোগ নিচ্ছেনা এ সকল মশা নিধনের জন্য।গত দু-তিন মাসে হয়তো বা দুএকবার মশা নিধনের ওষুধ প্রয়োগ করছে সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন এলাকা গুলোতে।সিটি কর্পোরেশনের অধিকাংশ রাস্তা গুলোতে চলছে রাস্তা ও ড্রেন মেরামতের কাজ।আর এ সকল কাজের জন্য উক্ত ড্রেনের থেকে ময়লা মাটি, আবর্জনা উঠিয়ে রাস্তার পাশে স্তুপ করে রাখা হয়।

ড্রেনের নোংরা পানি সেচের মাধ্যমে অন্য স্থানে ফেলে।ওই স্থানে জন্ম নেয় ডেঙ্গু মশা।উত্তর ডেঙ্গু মশা নিধনের জন্য নিচে না কোন প্রকার ব্যবস্থা। যার কারনে সন্ধার পরে প্রতিটা ঘরে ডেঙ্গু মশার উপদ্রবে টিকে থাকাটাই কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। সবচাইতে বেশি ডেঙ্গু মশার কামড়ে প্রভাবিত হচ্ছে ছোট ছোট শিশু বাচ্চারা। কারণ যে ঘরে ছোট ছোট শিশু বাচ্চারা থাকে সে ঘরে গোলব ধরালে তাদের শ্বাসকষ্টদেখা দেয়। এমত অবস্থায় সিটির প্রতিটি নাগরিক ডেঙ্গু মশা হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য মাননীয় মেয়র মহোদয়ের সুদৃষ্টি আকর্ষণ কামনা করেন।

আপলোডকারীর তথ্য

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ইন্টারন্যাশনাল রিলেশনস রিপোর্টার্স ফোরামের শ্রদ্ধা

খুলনা সিটি কর্পোরেশনে ডেঙ্গু মশার উপদ্রব বেসামাল পর্যায়ে

আপডেট টাইম : ০১:০৮:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৩

খুলনা সিটি কর্পোরেশনে বিভিন্ন রাস্তাঘাটে চলছে মেরামত ও সংস্কারের কাজ। ড্রেন সম্প্রসারণ,প্রশস্ত করণ ও কালভার্ট মেরামত ও প্রশস্ত করণ রাস্তা পুনঃনির্মাণ।এ সকল কাজের জন্য প্রায়শী জমা হচ্ছে রাস্তার উপরে ময়লা কাদা আবর্জনা এবং নোংরা পানি।এসকল নোংরা পানিতে জন্ম নিচ্ছে ডেঙ্গু মশা।যার ফলে প্রতিনিয়ত এলাকাবাসী ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হচ্ছে এবং খুলনা মেডিকেলের কলেজে হাসপাতলে,এবং খুলনা জেলা সদর হাসপাতালে বাড়ছে রোগীর চাপ।

এ সকল হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থা করতে হিমশিম খাচ্ছে উক্ত হাসপাতালের ডাক্তারগণ। যেন কিছুতেই কমছে না ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ডেঙ্গু রোগীর চাপ।এছাড়া উক্ত রোগীর চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন হয় খাবার সেলাই নে যা মার্কেটে বর্তমানে সরবরাহের রয়েছে প্রচন্ড পরিমাণে ঘাটতি। অপরদিকে একশ্রেণির অসাধু ঔষুধ ব্যবসায়ী এ সকল স্যালাইন এর দাম বাড়িয়ে বিক্রি করছেন রোগীর স্বজনদের নিকট।হাসপাতালগুলোর সামনে,ও পেছনে ময়লা আবর্জনা নোংরা পরিবেশের কারণে এসব হাসপাতালও কম নেই ডেঙ্গু মশার পরিমাণ।হাসপাতাল গুলোতে মশা নিধানের নেই তেমন কোন সুব্যবস্থা।

অপরদিকে খুলনা সিটি কর্পোরেশন কোন প্রকার উদ্যোগ নিচ্ছেনা এ সকল মশা নিধনের জন্য।গত দু-তিন মাসে হয়তো বা দুএকবার মশা নিধনের ওষুধ প্রয়োগ করছে সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন এলাকা গুলোতে।সিটি কর্পোরেশনের অধিকাংশ রাস্তা গুলোতে চলছে রাস্তা ও ড্রেন মেরামতের কাজ।আর এ সকল কাজের জন্য উক্ত ড্রেনের থেকে ময়লা মাটি, আবর্জনা উঠিয়ে রাস্তার পাশে স্তুপ করে রাখা হয়।

ড্রেনের নোংরা পানি সেচের মাধ্যমে অন্য স্থানে ফেলে।ওই স্থানে জন্ম নেয় ডেঙ্গু মশা।উত্তর ডেঙ্গু মশা নিধনের জন্য নিচে না কোন প্রকার ব্যবস্থা। যার কারনে সন্ধার পরে প্রতিটা ঘরে ডেঙ্গু মশার উপদ্রবে টিকে থাকাটাই কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। সবচাইতে বেশি ডেঙ্গু মশার কামড়ে প্রভাবিত হচ্ছে ছোট ছোট শিশু বাচ্চারা। কারণ যে ঘরে ছোট ছোট শিশু বাচ্চারা থাকে সে ঘরে গোলব ধরালে তাদের শ্বাসকষ্টদেখা দেয়। এমত অবস্থায় সিটির প্রতিটি নাগরিক ডেঙ্গু মশা হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য মাননীয় মেয়র মহোদয়ের সুদৃষ্টি আকর্ষণ কামনা করেন।