ঢাকা ০১:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৪

অর্ধ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ গড়ায় বাখরাবাদ গ্যাসের ব্যবস্থাপকের বিরুদ্ধে মামলা

৬০ লাখ ১০ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপক মো. মোমিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর) দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সংস্থাটির উপ-পরিচালক মো. শাওন মিয়া বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। সংস্থাটির ঊর্ধ্বতন একটি সূত্র এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, চাঁদপুরের বাখরাবাদ গ্যাস ফিল্ডের সাবেক ডেপুটি ম্যানেজার মো. মোমিরুল ইসলামের (বর্তমানে কুমিল্লায় কর্মরত) বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের একটি অভিযোগ অনুসন্ধান শেষে সম্পদ বিবরণী নোটিশ জারি করে দুদক। ২০১৭ সালের ২৫ অক্টোবর সচিব বরাবর সম্পদ বিবরণী দাখিল করেন তিনি। দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে তার নিজ নামে স্থাবর-অস্থাবর মিলিয়ে ১ কোটি ৬০ লাখ ৮৮ হাজার ৯৬২ টাকার সম্পদের হিসাব দিয়েছেন। কিন্তু দুদকের অনুসন্ধানে আয় ও পারিবারিক ব্যয় মিলিয়ে ২ কোটি ২৬ লাখ ৫৯ হাজার ৩১৪ টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের প্রমাণ মিলেছে। এর মধ্যে ১ কোটি ৬৬ লাখ ৪৮ হাজার ৮১৫ টাকার সম্পদের বৈধ উৎস পাওয়া যায়। অর্থাৎ ৬০ লাখ ১০ হাজার ৪৯৯ টাকার সম্পদের বৈধ উৎস পাওয়া যায়নি। যে কারণে তার বিরুদ্ধে দুদক আইন, ২০০৪ এর ২৭ (১) ধারায় মামলাটি দায়ের করে।

আপলোডকারীর তথ্য

মির্জাগঞ্জে রাতের আধারে বসতঘর লুটপাট

অর্ধ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ গড়ায় বাখরাবাদ গ্যাসের ব্যবস্থাপকের বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট টাইম : ০১:২৮:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৩

৬০ লাখ ১০ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপক মো. মোমিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর) দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সংস্থাটির উপ-পরিচালক মো. শাওন মিয়া বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। সংস্থাটির ঊর্ধ্বতন একটি সূত্র এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, চাঁদপুরের বাখরাবাদ গ্যাস ফিল্ডের সাবেক ডেপুটি ম্যানেজার মো. মোমিরুল ইসলামের (বর্তমানে কুমিল্লায় কর্মরত) বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের একটি অভিযোগ অনুসন্ধান শেষে সম্পদ বিবরণী নোটিশ জারি করে দুদক। ২০১৭ সালের ২৫ অক্টোবর সচিব বরাবর সম্পদ বিবরণী দাখিল করেন তিনি। দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে তার নিজ নামে স্থাবর-অস্থাবর মিলিয়ে ১ কোটি ৬০ লাখ ৮৮ হাজার ৯৬২ টাকার সম্পদের হিসাব দিয়েছেন। কিন্তু দুদকের অনুসন্ধানে আয় ও পারিবারিক ব্যয় মিলিয়ে ২ কোটি ২৬ লাখ ৫৯ হাজার ৩১৪ টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের প্রমাণ মিলেছে। এর মধ্যে ১ কোটি ৬৬ লাখ ৪৮ হাজার ৮১৫ টাকার সম্পদের বৈধ উৎস পাওয়া যায়। অর্থাৎ ৬০ লাখ ১০ হাজার ৪৯৯ টাকার সম্পদের বৈধ উৎস পাওয়া যায়নি। যে কারণে তার বিরুদ্ধে দুদক আইন, ২০০৪ এর ২৭ (১) ধারায় মামলাটি দায়ের করে।