ঢাকা ১০:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

গোপালগঞ্জে সাবেক সেনা সদস্য হত্যাকান্ড- বিচারের দাবীতে মানববন্ধন

গোপালগঞ্জে সাবেক সেনা সদস্য হত্যাকান্ডের মূলহোতা ইউপি চেয়ারম্যান কাজী নওশের আলী এবং তার সহযোগীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন এবং বিক্ষোভ মিছিল করেছে এলাকাবাসি ও স্বজনরা।

আজ সোমবার দুপুরে কাশিয়ানী উপজেলার ফলসী বাজারে এ বিক্ষোভ মিছিল ও সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এসময় বিক্ষোভকারীরা বিভিন্ন শ্লোগান দেন।
সংবাদ সম্মেলনে নিহত সেনা সদস্যের স্ত্রী শরীফা বেগম অভিযোগ করে বলেন, নিজামকান্দি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কাজী নওশের আলী ও তার সহযোগীরা আমার স্বামী সেনাবাহিনীর সাবেক সার্জেন্ট চৌধুরী রফিকুল ইসলাম ওরফে আনসার চৌধুরীকে প্রকাশ্য কুপিয়ে হত্যা করে। ইতোমধ্যে তিন সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও হত্যাকান্ডের মূলহোতা নিজামকান্দি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কাজী নওশেরে আলীকে এখনও গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
নিজামকান্দি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মাহবুবুর রহমান বিপ্লব বলেন, ইউপি চেয়ারম্যান কাজী নওশের আলী এলাকায় খুনের রাজত্ব কায়েম করেছেন। গত দুই দশকে নিজামকান্দি ইউনিয়নে চেয়ারম্যানের প্রত্যক্ষ মদদে এপর্যন্ত ১৫টি হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়েছে। আমরা শান্তিপ্রিয় এলাকাবাসী ইউপি সেনা সদস্য হত্যায় জড়িত ইউপি চেয়ারম্যান কাজী নওশের আলীর গ্রেপ্তার ও ফাঁসি দাবী করছি।
এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কাশিয়ানী থানার উপ-পরিদর্শক মোঃ জসীম উদ্দিন বলেন, এ পর্যন্ত ১১ জন আসামী গ্রেপ্তার হয়েছে। এরমধ্যে দুই আসামীকে রিমান্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত। অপর আসামীদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে। হত্যাকান্ডের পর থেকে এলাকার পরিবেশ স্বাভাবিক রয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ইন্টারন্যাশনাল রিলেশনস রিপোর্টার্স ফোরামের শ্রদ্ধা

গোপালগঞ্জে সাবেক সেনা সদস্য হত্যাকান্ড- বিচারের দাবীতে মানববন্ধন

আপডেট টাইম : ১১:২৫:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০২৩

গোপালগঞ্জে সাবেক সেনা সদস্য হত্যাকান্ডের মূলহোতা ইউপি চেয়ারম্যান কাজী নওশের আলী এবং তার সহযোগীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন এবং বিক্ষোভ মিছিল করেছে এলাকাবাসি ও স্বজনরা।

আজ সোমবার দুপুরে কাশিয়ানী উপজেলার ফলসী বাজারে এ বিক্ষোভ মিছিল ও সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এসময় বিক্ষোভকারীরা বিভিন্ন শ্লোগান দেন।
সংবাদ সম্মেলনে নিহত সেনা সদস্যের স্ত্রী শরীফা বেগম অভিযোগ করে বলেন, নিজামকান্দি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কাজী নওশের আলী ও তার সহযোগীরা আমার স্বামী সেনাবাহিনীর সাবেক সার্জেন্ট চৌধুরী রফিকুল ইসলাম ওরফে আনসার চৌধুরীকে প্রকাশ্য কুপিয়ে হত্যা করে। ইতোমধ্যে তিন সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও হত্যাকান্ডের মূলহোতা নিজামকান্দি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কাজী নওশেরে আলীকে এখনও গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
নিজামকান্দি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মাহবুবুর রহমান বিপ্লব বলেন, ইউপি চেয়ারম্যান কাজী নওশের আলী এলাকায় খুনের রাজত্ব কায়েম করেছেন। গত দুই দশকে নিজামকান্দি ইউনিয়নে চেয়ারম্যানের প্রত্যক্ষ মদদে এপর্যন্ত ১৫টি হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়েছে। আমরা শান্তিপ্রিয় এলাকাবাসী ইউপি সেনা সদস্য হত্যায় জড়িত ইউপি চেয়ারম্যান কাজী নওশের আলীর গ্রেপ্তার ও ফাঁসি দাবী করছি।
এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কাশিয়ানী থানার উপ-পরিদর্শক মোঃ জসীম উদ্দিন বলেন, এ পর্যন্ত ১১ জন আসামী গ্রেপ্তার হয়েছে। এরমধ্যে দুই আসামীকে রিমান্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত। অপর আসামীদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে। হত্যাকান্ডের পর থেকে এলাকার পরিবেশ স্বাভাবিক রয়েছে।