ঢাকা ০৪:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ জুন ২০২৪
সংবাদ শিরোনাম :

নির্বাচনের সময়সূচি চূড়ান্ত হবে ৩ নভেম্বর

আলোর জগত ডেস্ক :  একাদশ সংসদ নির্বাচনের সময়সূচি চূড়ান্ত করতে আগামী ৩ নভেম্বর শনিবার বৈঠকে বসছে নির্বাচন কমিশন। পরবর্তী এক সপ্তাহের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনের তফসিল (বিস্তারিত সময়সূচি) ঘোষণা করা হবে।

দশম নির্বাচনের মতো এবারও বিটিভি ও বেতারে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিতে পারেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। আর ওই বক্তৃতাতে জানানো হবে ভোট গ্রহণের দিনক্ষণসহ বিস্তারিত সূচি।

নির্বাচনী প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বুধবার নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা ডাকা হয়েছে। এই সভার প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাত করবে। সঙ্গে থাকবেন চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসির সচিব।

এদিকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জাতীয় ঐক্য ফ্রন্ট ও বিকল্প ধারার সঙ্গে সরকারের বৈঠকের খবর বেশ স্বস্তি বিরাজ করছে নির্বাচন কমিশনে। কমিশন মনে করছে, ওই বৈঠকে দলগুলো মৌলিক ইস্যুতে সমঝোতায় আসতে পারলে নির্বাচনী পরিবেশের অনেক উন্নতি হবে। একটি অবাধ, স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন পরিচালনার কাজটি সহজ হয়ে যাবে কমিশনের জন্য।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে চিকিৎসার চেক হস্তান্ত, সাবেক এম পি নুরুল আমিন রুহুল

নির্বাচনের সময়সূচি চূড়ান্ত হবে ৩ নভেম্বর

আপডেট টাইম : ০৪:৪২:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩১ অক্টোবর ২০১৮

আলোর জগত ডেস্ক :  একাদশ সংসদ নির্বাচনের সময়সূচি চূড়ান্ত করতে আগামী ৩ নভেম্বর শনিবার বৈঠকে বসছে নির্বাচন কমিশন। পরবর্তী এক সপ্তাহের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনের তফসিল (বিস্তারিত সময়সূচি) ঘোষণা করা হবে।

দশম নির্বাচনের মতো এবারও বিটিভি ও বেতারে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিতে পারেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। আর ওই বক্তৃতাতে জানানো হবে ভোট গ্রহণের দিনক্ষণসহ বিস্তারিত সূচি।

নির্বাচনী প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বুধবার নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা ডাকা হয়েছে। এই সভার প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাত করবে। সঙ্গে থাকবেন চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসির সচিব।

এদিকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জাতীয় ঐক্য ফ্রন্ট ও বিকল্প ধারার সঙ্গে সরকারের বৈঠকের খবর বেশ স্বস্তি বিরাজ করছে নির্বাচন কমিশনে। কমিশন মনে করছে, ওই বৈঠকে দলগুলো মৌলিক ইস্যুতে সমঝোতায় আসতে পারলে নির্বাচনী পরিবেশের অনেক উন্নতি হবে। একটি অবাধ, স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন পরিচালনার কাজটি সহজ হয়ে যাবে কমিশনের জন্য।