নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানী বাড্ডা থানার গুরুত্বপূর্ণ ২১ নং ওয়ার্ডের সরু রাস্তা দীর্ঘদিন পরে হলেও মেরামত ও প্রস্থকরণ কাজ এগিয়ে চলছে। এই ওয়ার্ডের চারপাশে রয়েছে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সব স্থাপনা একদিকে হাতিরঝিল অন্য দিকে গুলশান লেক আরেকদিকে গুলশান, বনানী বারিধারা। এছাড়া স্কুল, কলেজ, মসজিদ, মাদ্রাসা, ব্যবসা প্রতিষ্টান এবং ঘড়বাড়ি রয়েছে। দীর্ঘদিন সড়কগুলো সরু থাকলেও প্রয়াত ভারপ্রাপ্ত মেয়র ওসমান গনির পরিকল্পনায় তারই ছেলে সদ্য নির্বাচিত মাসুম গণি (তাপস) এই আসনের সংসদ সদ্স্য একেএম রহমত উল্লাহ উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য রাস্তা প্রস্তকরণ ও মেরামতের কাজ শুরু করেন। ৬ফুট বা ৮ ফুট রাস্তাকে ১২ ফুট বা ১৪ ফুট করার কাজ করা হচ্ছে।
আরো পড়ুন : আজ বিশ্ব ম্যালেরিয়া দিবস
আরো পড়ুন : সবাই সজাগ ও সতর্ক থাকুন : প্রধানমন্ত্রী
আরো পড়ুন : গেইল-রাসেলদের নিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিশ্বকাপ দল
এব্যাপারে সদ্য নির্বাচিত কাউন্সিলর মাসুম গণি (তাপস) বলেন ,প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল সোনার বাংলা গড়ার জন্য আমার বাবা কাজ করে গেছেন তারই ইচ্ছা বা পরিকল্পনা অনুযায়ী এলাকার বাড়ির মালিকগণদের সাথে নিয়ে সরু রাস্তা প্রস্থকরণ ও যারা রাস্তা দখল করে আছেন তাদের অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ জানালে তারা নিজ দ্বায়িত্বে সরিয়ে নিচ্ছেন ।এর ফলে ফায়ার সাভির্স , এম্বুলেন্স সহ যে কোন জরুরী যানবাহন সহজে চলাচল করতে পারবে এবং এর সুবিধা সকল ওর্য়াডবাসী পাবে বলে তিনি মনে করেন।
৯৭ নং ওর্য়াড সভাপতি আহমেদ হোসেন নুর সাগর বলেন, রাস্তাগুলোর মুখ সরু থাকার কারনে লাশবাহি গাড়ি বা খাটিয়া নিয়ে চলাচল করা ও উন্নয়নের জন্য মলামাল আনা নেওয়া এবং এম্বুলেন্স চলাচল সম্ভব হতো না। প্রস্থ করার ফলে সহজেই চলাচল করতে পারবে এবং নাগরিকগণ সকলেই এই সুবিধা পাবে। সকল মালিকদের সাথে নিয়ে কাজ করা হচ্ছে যার ফলে কোন সমস্যা এখানে নাই।
সড়কের মুখের বাড়ির মালিক মো: আলাউদ্দিন খানঁ জানান, আমার কিছু ক্ষতি হলেও হাজার হাজার মানুষের কথা চিন্তা করে রাস্তার জন্য জায়গা ছেড়ে দিয়েছি। আশা করি এলাকার মানুষের উপকার হবে।
বাড়ির মালিক আ:রব হাওলাদার জানান, রাস্তা প্রস্থকরণকে আমি স্বাগত জানাই তাই নিজ দ্বায়িত্বে স্থাপনা সরিয়ে নিচ্ছি।
আবেগ আপ্লুত কন্ঠে জমির মালিক মোন্তফা হায়দার বলেন, আমার দীর্ঘ দিনের স্বপ্ন ছিল কোনদিন এই এলাকার রাস্তাগুলো চওড়া হবে । আজ মাসুম গণির জন্য আমার স্বপ্ন পূরন হতে যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, রাস্তা প্রস্তকরণ কাজ শেষ হলে সিটি করপোরেশনের মাধ্যমে পাকা করা হবে। কাজের যে গতি চলছে এলাকাবাসি মনে করে অচিরেই কাজ সম্পন্ন হয়ে যাবে এবং তাদের কষ্ঠ লাগব হবে